আওয়ামীলীগ একটি কমুনিষ্ট দল

কমুনিষ্টরাই সকল কিছু দলীয়করণ করে। কারণ সর্বক্ষেত্রে নিজের দলের লোক (চাই সে যোগ্য হোক বা অযোগ্য) থাকলে দলনেতার একক শাসন ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয। তারা ধর্মকে ঘৃণা করে। ধর্ম তাদের কাছে আফিমের মত। তবে কোন ধর্মীয় সম্প্রদায় থাকলে তাদের সাথে প্রতারণা করার একটা নীতি তাদের আছে। অর্থাৎ ধর্মের বিরুদ্ধচারণ আমরা করিনা এটা তারা বারবার বলে এবং ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে তারা প্রকাশ্যে নামাজে বা পূজায় অংশগ্রহণ করে। এটা একটা অপরাধ। প্রতারণা আরো বড় অপরাধ।
তাদের গুরু লেনিন কোন ধর্মীয় জনগোষ্ঠির কাছে তাদেরই লেবাছে যেতে বলেছে এবং তাদের ধর্মীয়কাজেও অংশগ্রহণ করতে বলেছে। এবং সাথে সাথে সেই ধর্মের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে বলেছে। আওয়ামীলীগ যা করে।
সারা পৃথিবীতে কমুনিজম ঘৃণিত হলেও পশ্চিমবঙ্গে তা দীর্ঘবছর রেখে দেয়া হয়েছিল। কারণ বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে নির্মূল করার জন্য কমুনিজম একটা অব্যর্থ শক্তি। সেখানে বাংলাদেশের বহু বুদ্ধিজিবী ও রাজনীবিদদেরকে ট্রেনিং দেয়া হয়েছে। বালাদেশে কমুনিষ্ট সরকার হিসেবে আওয়ামীলী ক্ষমতাসীন হবার পরপরই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাসি পচা কমুনিজম তারা দূর করে দিয়েছে। অতএব আওযামীলীগের ধর্মবিরোধীতা প্রমাণ করে তারা বাংলাদেশ থেকে ইসলাম ও মুসলমান নির্মূল করতে এসেছে। জয়ের অর্ধবিপ্লবের সমাপ্তি হবে আর একবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে।
তারা সরাসরি ধর্মীয় রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করবে না। পত্রিকা নিষিদ্ধ করবে না, করলে তাদের আসল রূপ ধরা পড়ে যাবে। তাই তারা এমন আচরণ করবে যাতে ধর্মীয় দলের লীডাররা খতম হয় এবং ধর্মীয় দলের কার্যক্রম না চলে। একই নিয়মে পত্রিকার সম্পাদককে কারাগারে রাখলে ঘোষণা দিয়ে পত্রিকা বন্ধের প্রয়োজন হয় না। যাই হোক নাস্তিক্যবাদী ঘৃণ্য কমুনিজমের ধারক আওয়ামীলীগকে ভোটের মাধ্যমে উৎখাত করুন।