আওয়ামীলীগ এবং গনতন্ত্র: ভূতের মুখের যেন রামনাম

দেশটির নাম গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।এই দেশে এক আজব রাজনৈতিক দল রয়েছে। পান থেকে চুন খসলেই তারা “গনতন্ত্র গেলো” বলে মরন চিৎকার দেয়।
গনতন্ত্রের আসল সংঙ্গা আদৌ তারা জানে কিনা তা নিয়ে আমি যথেষ্ঠ সন্দিহান।যে শব্দটির মূলভিত্তি হলো জনগন,সেই শব্দটিকে তারা যথেচ্ছ ব্যবহার করছে নিজেদের গদি রক্ষার্থে।আর জনগনের সাথেতো তাদের যোজন যোজন দূরত্ব।
গনতন্ত্র রক্ষার্থে তাদের এবং তাদের পূর্বপূরুষদের কার্যকালাপের দিকে একটু নজর দেয়া যাক।
১৯৭৫ এ চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতি তাদের কাছ থেকে গনতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপহারটি পায়!বহুদলীয় গনতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বির্সজন দিয়ে একদলীয় বাকশাল কায়েম করে জাতিকে তারা কোন গনতন্ত্রের রাস্তায় নিয়ে দাড়ঁ করাতে চেয়েছিলো সেটা আমাদের বুঝে আসেনা।
১৯৮৬ তে এক স্বৈরাচারী এবং বিশ্ববেহায়ার অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে গনতন্ত্রের তথাকথিত মানস কন্যা স্বঘোষিত বেঈমানে পরিনত হলেন।
তিনিই, ১৯৯১ সালে গনতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকারের বিরোদ্ধে চরম দম্ভোক্তি করে বললেন “একদিনও শান্তিতে থাকতে দেবোন”।
এইতো সেই আওয়ামীলীগ ১৯৯৬ সালে গনতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে জামাতকে সাথে নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে আন্দোলন করেছে।
২০০১ সালে জয়লাভ করতে না পেরে গভীর খেদ নিয়ে এরাই বলেছিলো”বেড়াই আমার খেত খেলো”।
১/১১ ‘র আবির্ভাব হয়েছিলো তাদেরই জন্য।
২০০৮ সালে জয়লাভ করে তারা আমাদের কি দিয়েছে??
অনেককিছু…পিলখানা হত্যাকান্ড,পদ্মাসেতুর অর্থ পাচার,হলমার্ক কেলেংকারী,শেয়ার বাজারে ধস্ ।আলেম সমাজ আর সংবাদ মাধ্যমের উপর ক্ষমতার স্টীমরুলার।
আর আজ??নিজেদের পছন্দমতো সংবিধান তৈরি করে কোন গনতন্ত্র কায়েম করতে চায় তারা???
গনতান্ত্রের তথাকথিত নেত্রীর ক্ষমতা আকড়েঁ থাকার জন্য যে নির্লজ্জতা প্রদর্শন করছে তাতে জাতি চরমভাবে লজ্জিত।
এটা কি আসলেই গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা নাকি আওয়ামীতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখার মরন কামড়????