সরকারের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে পড়ছে, ক্রুদ্ধ পুলিশ পায়ে ছাত্র পিষছে!

উপমহাদেশে ইসলামী শাসনের অবসানের পর অত্যাচারী নিষ্ঠুর ব্রিটিশদের কবলে এক দীর্ঘকাল অতিক্রম করে এ অঞ্চলের মানুষ। কিন্তু, স্বাধীনচেতা এ জাতিকে পুরোপুরি বশে আনতে পারেনি কথিত ব্রিটিশ বুদ্ধিমানেরা! অত্যাচারের এক দীর্ঘ ইতিহাসের পর লেজ গুটিয়ে পালাতে হয়েছে তাদেরকে! তবে, এমন এক ব্যবস্থা তারা এই উপমহাদেশে রেখে গেছে যার ফলস্রুতিতে তাদের শোষণ প্রক্রিয়া আজও চলছে! যাইহোক, ব্রিটিশদের কবল থেকে উদ্ধার পেলেও জালিম শাসকশ্রেণি এই অঞ্চলের লোকদের ঘাড়ে চেপে বসেছিল তখন। অতঃপর, আরো কয়েকবার জালিমদের কবল থেকে উদ্ধার প্রচেষ্টা চালায় মাজলুম জনতা। কিন্তু, উপমহাদেশ খণ্ড-বিখণ্ড হওয়া ছাড়া, কোন ফায়দা মিলেনি তাদের। পাকিস্তান থেকে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশ গঠিত হয়, আর শাসকের গদি থেকে জনতার উপর জুলুমও চলমান রয়! সেই ধারাবাহিকতা এখনও চলছে। শাসকের কাছে বিচারের দাবিতে রাজপথে রক্ত ঝরছে! এখনও মাজলুমের হাহাকারে বাতাস ভারী হয়ে বয়ে যায়, পুলিশি নির্যাতনের নির্মম দৃশ্য দেখি চোখের মণি কোঠায়! দুর্ঘটনায় ছাত্রমৃত্যুর সংবাদে নিষ্ঠুর মুখে হাসতে দেখি কোন জনপ্রতিনিধিকে, মন্ত্রিত্বের আসন টিকিয়ে রাখতে আবার ক্ষমাও চায়! কিন্তু, নিষ্ঠুর ঐ হাসি মানবহৃদয় কি কখনো ভুলতে পারে? কখনো কি ভুলতে পারে অপরাধীর বিচারের দাবিতে রাস্তায় নামা ছাত্রদের উপর পুলিশি নির্যাতনের কথা! আর, কেনই বা অপরাধীর বিচার দাবি করতে হবে শাসকের কাছে? তবে শাসকের কাছে কি অপরাধ সুস্পষ্ট নয়?! কেন একের পর এক দুর্ঘটনার পরও শাসকগোষ্ঠীর তৎপরতা কেবলই নিষ্ঠুর সেই হাসির মত! কেন সবকিছু জেনে-বুঝেও কথায় ও বক্রিতায় ঘটনাকে হালকা করার ব্যর্থ চেষ্টা অব্যহত! কেন রাস্তাঘাটে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, বেহায়াপনা? আর  কেনই বা ন্যায্য আন্দোলনে পুলিশি লাঠি চালনা? যখন ছোট্ট কিশোর শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভাই ও বোন হত্যার বদলা চায়; তখন জনগণের তথাকথিত বন্ধু! পুলিশ কেন সন্ত্রাসী হামলা চালায়? যে দেশে শিক্ষকগণের বেত হাতে ক্লাসে প্রবেশ করতে মানা; সে দেশে পুলিশ কেন দেয়, শিক্ষার্থীদের উপর সন্ত্রাসী হানা?
জানি, এ প্রশ্নগুলোর উত্তর আমি পাবোনা; হয়তো তাদের দেওয়া স্বার্থন্বেষী উত্তরে সন্তুষ্টও হওয়া যাবে না। তবে প্রধানমন্ত্রী হতে যত মিথ্যাবাণীই আসুক; মন্ত্রীরা মৃত্যুসংবাদে যত উল্লাসিতই হোক; আমার কিশোর ভাইয়েরা আমাকে আশান্নীত করেছে; এই দেশ, এই মাটিকে তারা আবার নতুন করে ঢেলে সাজিয়েছে; একটি নতুন সুন্দর পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে! পৃথিবীতে প্রতিটি নতুনত্বের ছোঁয়া আসে নতুনদের কাঁধে ভর করে; যখন তারা রোদ-বৃষ্টি-ঝড় উপেক্ষা করে লড়ে যায় দেশের তরে।
একসময় আমি হতাশ ছিলাম,  নিরাশ হয়েছিলাম, আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম; ভেবেছিলাম, এই ফেসবুক, ইউটিউবে ডুবে থাকা শিশু-কিশোরেরাও কি কখনো জেগে উঠবে কিংবা অন্যদেরকে জাগাবে? আমার ভুল ভাঙ্গলো, তারা জেগে উঠলো এবং অন্যদেরকেও জাগিয়ে তুললো। দেশে অন্যায় চলছে, মাজলুমের আর্তনাদ ভারী হয়ে আসছে! তবুও কি আর বসে থাকা সম্ভব!?
তারা মন্ত্রী-পুলিশদেরকে ন্যায় ও সততার সবক শিখালো; সড়কে কীভাবে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, হাতে-কলমে শিখিয়ে দিলো! রাস্তায় সব ড্রাইভারের লাইসেন্স চেক করা হলো, তবে অদ্ভুত বিষয়টা হলো- প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পুলিশের গাড়ির ড্রাইভারদেরকেই লাইসেন্সহীন পাওয়া গেল! ট্রাফিক আইন না মানার অপরাধে মন্ত্রীর গাড়িকে উল্টো পথে ফিরে যেতে বাধ্য করা হলো! কিন্তু, সরকারের কি আর সহ্য হয়! এখন তো রাস্তার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, কখন না জানি দেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়! সরকারের মনে তার ভয়!
তাই তো ছাত্রদের এই আন্দোলনকে বন্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে সরকারপন্থীরা! এমনকি সরকারের বিভিন্ন আজব মন্ত্রী হুমকিও দিচ্ছে ছাত্রদেরকে! কঠিন অবস্থা সৃষ্টি করবে বলে তারা জানিয়েছে। ছাত্রদের দাবি কেবল মেনে নেওয়ার কথা বলে কোটা আন্দোলনের মত করে এই আন্দোলনকেও ব্যর্থ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু তাদের এই ‘দাবি মেনে নেওয়া’র বাস্তবতা জনগণ ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে! এটা তাদের প্রতারণার একটি কৌশল মাত্র! নির্বাচনী ইশতেহারের মাধ্যমে যেভাবে জনগণকে ধোকা দিচ্ছে, একইভাবে ধোকা দেওয়ার মাধ্যম ‘দাবি মেনে নেওয়া’র কথা বলে আন্দোলন থামানো! এদিকে, পুলিশকে ছাত্রদের ‍উপর হামলার জন্য প্রস্তুতি নিতেও বলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে! কেন এই প্রস্তুতি!? কারণ হলো- সরকারের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে পড়ছে, তাই ক্রুদ্ধ পুলিশ পায়ে ছাত্র পিষছে!

15 Comments

  1. তাদের কে পিশে ফেলাই দরকার ছিলো, আর সবার আগে তোরে মাইরা ফালানো উচিত

  2. লাথি মেরে তোর পাছা লাল করে ফেলবো, এতো মিথ্যাচার করিস কেন? তোরা তো যুদ্ধাপরাধীদের সাথে চলাচল করিস, তোরা দেশের পক্ষে বলার কোন সাহস রাখিস না, মনে করিস তোরা যা বলবি তাই হবে? মনে রাখিস, এখন কিন্তু আমাদের সময়। এসব ফালতু পেচাল করবিনা। পারলে ভালো কিছু লেখ আর নাহলে একদম চুপ থাক, নাহলে এর ফলাফল কিন্তু ভালো হবেনা একদম!

  3. তোরে সামনে পাওয়ার সময়ের অপেক্ষায় আছি, একবার দেশে আয়, পিষে ফেলা কাহাকে বলে বুঝবি ও হারে হারে টের পাবি।

  4. তোর কান দুইটা কেটে ফেলবো আমি, তার সাথে তোর হাতের দুইটা করে আঙ্গুল ও কেটে ফেলবো। এবং তাতেই তুই মিথ্যা গুজব, বানোয়াট কথা শুনতেও পারবিনা আর লিখতেও পারবিনা। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা…

  5. তুই কি ভাবছিস এসব বলে পার পেয়ে যাবি? সাহস থাকলে দেশে আয়, তারপর মজা বুঝাচ্ছি

  6. ভুয়া খবর ছড়ানোর দায়ে তোরে ফাসি দেওয়া উচিদ।

  7. তোর হাত পা বেধে এভাবে পিষে ফেলা উচিত। তাহলে বুঝতে পারবি মিথ্যাচার করার কি পরিনাম হয়।

  8. তুই ও এসব বলে পার পেয়ে যাবি? সাহস থাকলে দেশে আয়, তারপর মজা বুঝাচ্ছি

  9. I simply wanted to write a simple word to express gratitude to you for all the splendid guides you are sharing here. My extended internet lookup has at the end been recognized with awesome information to talk about with my pals. I ‘d state that that most of us visitors are extremely endowed to be in a useful place with very many lovely individuals with valuable tricks. I feel rather happy to have come across your weblog and look forward to so many more exciting minutes reading here. Thank you again for all the details.

  10. A lot of thanks for all of the hard work on this website. My niece really likes getting into investigations and it’s easy to see why. We all learn all relating to the compelling tactic you provide valuable strategies on the blog and as well improve participation from people on this subject plus our daughter is now starting to learn a lot. Take pleasure in the remaining portion of the new year. You’re the one carrying out a very good job.

  11. I want to show appreciation to the writer for bailing me out of this setting. As a result of researching through the world-wide-web and finding concepts which are not helpful, I believed my entire life was well over. Existing minus the approaches to the problems you have fixed by way of your short post is a crucial case, as well as ones that could have badly damaged my entire career if I had not come across the blog. Your training and kindness in playing with almost everything was excellent. I’m not sure what I would have done if I had not encountered such a subject like this. I can also now look ahead to my future. Thank you so much for your impressive and effective help. I will not think twice to refer the sites to any individual who will need guidelines on this issue.

  12. Needed to write you a tiny observation just to give many thanks the moment again for these striking thoughts you’ve shown on this website. It is quite shockingly generous of you to deliver unreservedly what exactly a number of us could possibly have offered for sale as an e book to make some dough for themselves, especially considering that you could have done it if you desired. The advice as well acted to become a good way to fully grasp someone else have the same eagerness similar to my personal own to find out good deal more around this condition. Certainly there are thousands of more fun moments ahead for individuals who take a look at your blog.

  13. I truly wanted to make a simple remark in order to thank you for all the amazing techniques you are writing here. My time-consuming internet investigation has finally been rewarded with high-quality points to exchange with my company. I would point out that many of us website visitors actually are extremely endowed to dwell in a good network with very many outstanding people with interesting tactics. I feel extremely privileged to have come across your weblog and look forward to so many more fun minutes reading here. Thank you once again for all the details.

  14. I would like to convey my passion for your kind-heartedness giving support to individuals who absolutely need assistance with this one niche. Your real commitment to passing the solution along came to be surprisingly functional and have all the time allowed somebody just like me to get to their endeavors. The important report signifies a great deal to me and a whole lot more to my mates. Thanks a lot; from all of us.

Leave a Reply

Your email address will not be published.