‘আমি ৫০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য, এসেছি পুলিশ প্রোটেকশনে আন্দোলন ঠেকাতে’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে যাত্রাবাড়ি মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলাকারীদের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় যুবলীগের সদস্যরা।

সকালে যাত্রাবাড়ি মোড়ে ২০/৩০ শিক্ষার্থী রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন গাড়ির লাইসেন্স চেক করছিল। এর আধাঘন্টা পর সায়েদাবাদগামী একটি প্রাইভেট কারের লাইসেন্স চেক করার সময় পেছন থেকে ৪০/৫০ জনের একটি দল ওই শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে।হামলায় কয়েকজন শিক্ষার্থী মাথায় ও পিঠে আঘাত পাওয়ায় নিরাপত্তার ভয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়। এসময় পথচারীরা দৃশ্যটি ধারণ করতে গেলে তাদের থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে ভিডিও মুছে দেওয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে ও স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হামলায় যারা অংশ নেয় তাদের বেশিরভাগই পরিবহন শ্রমিক নন। তারা স্থানীয় যুবলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।হামলার সময় দৃশ্য ধারণ করতে গেলে এ প্রতিবেদকের মোবাইল কেড়ে নিয়ে ভিডিও মুছে দেন রাজু নামে স্থানীয় যুবলীগ কর্মী। পরে আজ বাস ছাড়বে কি না জানতে চাইলে তিনি সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমি শ্রমিক নই। এখানকার ৫০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য। এসেছি পুলিশ প্রোটেকশনের কাজ করতে। তারা (ছাত্ররা) যাতে এখানে কোনো অবস্থান নিতে না পারে সেজন্য।’
হামলার শিকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমরা কোনো গাড়ি আটকাচ্ছিনা। শুধু তাদের লাইসেন্স আছে কিনা তা দেখছিলাম। এসময় ওরা ধর ধর করে আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের এতগুলো মানুষের সঙ্গে আমরা পারবো না। এজন্য চলে যাচ্ছি। আমাদের অনেককে তারা মেরেছে।’

এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াজেদ আলী সারাবাংলাকে বলেন, ‘এখানে হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হয়তো শ্রমিকদের ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তবে তারা যে আমাদের সঙ্গে কাজ করতে এসেছে এমন তথ্য আমার জানা নেই। তারা যদি সাধারণ নাগরিক হিসেবে রাস্তায় দাঁড়ায় তাহলে আমাদের কি বলার আছে। তাদেরকে তো আমরা বাঁধা দিতে পারি না।’ তবে কেউ অপ্রীতিকর কিছু করার চেষ্টা করলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষার্থীরা সড়কে, করছে ‘ফিটনেস পরীক্ষা’

8 Comments

  1. তাদের এত বড় সাহস হয় কিভাবে? সবগুলারে ব্রাশফায়ার করে মেরে ফেলা দরকার ছিল। এগুল দেশের অন্ধকার ভবিষ্যৎ নিয়ে আসবে

  2. তোর মুখ দিয়ে কি কখনও ভালো কথা বের হয় না?

  3. এই লেখককে দেশ থেকে ত্যাজ্য করা উচিত, কারন ইনি আওয়ামীলীগ এর সমালোচনা ছাড়া আর কিছু পারেন না।

  4. বিএনপির পোলারা একেকটা চুতমারানির পোলা।

  5. আওয়ামীলীগ মানেই সন্ত্রাসবাদ, এ আর নতুন কিছু কি!

  6. শাউয়ার পোলা তোরে সামনে পাইলে ইচ্ছামতো জুতা দিয়া পিটাইতাম

  7. আমার নেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত কখনো ভুল হয়না তা প্রমান পাওয়া গেলো আরেকবার এই আন্দোলন এর মাধ্যমে, কি সুন্দর করে ধৈর্যের পরিক্ষা দিল সরকার তথা সকল প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। আমি আসলেই মুগ্ধ, কিন্তু এই বি এনপি পন্থি কিছু লোকজন শুরু থেকেই আন্দোলনকে বাতিলের জন্য ভুয়া খবর প্রকাশ করে আসছে, উস্কানিমূলক মন্তব্যও দিচ্ছে। এইগুলো যেমন একটি সামাজিক অপরাধ, তেমনিভাবে আইনগত ভাবেও দণ্ডনীয় অপরাধ। এবং এই লেখক মহোদয় ঠিক এই অন্যায় কাজটাই করেছেন। তাই তাঁকে সামনে পেলে লোকচক্ষুর সামনে কেটে টুকরো টুকরো করে নদিতে ভাসিয়ে দেওয়া হোক- এটাই হবে উনার উপযোগ্য শাস্তি!!!

  8. ভালোয় ভালোয় বলতেসি, সাবধান হইয়া যা লুতফুর আর নাহলে যদি তোর কল্লা কাটা পড়ে তাহলে কিন্তু আমাকে কিছু বলবি না, আমি সাবধান করেছিলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.