আওয়ামীলীগ সরকারের যতসব কেলেঙ্কারী।

বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার সামনে নির্বাচনের জন্য এক নীল নকশা তৈরী করিতে যাচ্ছে। আর তারই ফলস্বরুপ টিভি ও পত্রিকা সাংবাদিক মহলকে তাদের বশে রাখার জন্য , ওসব সাংবাদিক ভাইদের জন্য গঠন করতে যাচ্ছে এক ওয়েজবোর্ড বা বেতন ভাতার ব্যবস্থা। যাহাতে ঐসব সাংবাদিক ভাইদের মূখ বন্ধ হয়ে যায়।শেয়ারমার্কেট কেলেঙ্কারী করে শেখ হাসিনার উপদেষ্টা ও গুটি কয়েক মন্ত্রী মিলে সাধারন মানুষের প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা আত্নসাৎ করে দিয়ে সেই সব টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।
অপর দিকে চীফ হুইফ আব্দুস শহীদ বিগত সাড়ে চার বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে শত শত কোটি টাকা মেরে দিয়ে বিদেশে বিভিন্ন কোমপানীর শেয়ারহোল্ডার হয়েছেন এবং
লন্ডন, আমেরকি ও কানাডাতে বাড়ীঘর বানিয়েছেন। তাছাড়া উক্ত আব্দুস শহীদ শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের মাগুরাছড়া গ্যাসকুপে আগুন লেগে যে, ১৫/২০ টি গ্রাম ও এলাকা বিরাট ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। আর সেই ক্ষতিপূরণ বাবদ এবং এ্কই ১৫/২০টি গ্রাম/এলাকার মানুষদেরকে পূনর্বাসনের জন্য কানাডিয়ান কোম্পানী ৩৫০ কোটি টাকা অর্থ সাহায্য প্রদান ও ক্ষতিপূরণ প্রদান করেছিল। সেই ৩৫০ কোটি টাকা আব্দুস শহীদ ফাইল গায়েব করে দিয়ে পূরো টাকাই আত্নসাৎ করেছিলেন। আর এই ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৮/৯৯ সালে।
আওয়ামীলীগ সরকার বিগত সাড়ে চার বছরে হলমার্ক কেলেঙ্কারী, শেয়ারমার্কেট কেলেঙ্কারী, ও বিভিন্ন এম.এল.এম কোম্পানী যেমন নিউওয়ে, এমওয়ে, ডেসটিনি-২০০০ লিঃ কেলেঙ্কারী করে লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের হাজার কোটি টাকা আত্নসাৎ করেছে। সাধারণ মানুষের রক্ত ও ঘাম ঝড়ানো টাকা মেরে দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে।
আর এইসব হলমার্ক কেলেঙ্কারী, শেয়ারমার্কেট কেলেঙ্কারী, ও বিভিন্ন এম.এল.এম কোম্পানী প্রতারণার সঙ্গে সরকারের ডজনখানেক মন্ত্রী ও উপদেষ্টা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। স্বয়ং শেখ হাসিনার কয়েকজন উপদেষ্টা এসব মারাত্নক কেলেঙ্কারীর সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। অথচ তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দেয়ার পরও এসব কুখ্যাত কেলেঙ্কারবাজদের বিরুদ্বে সরকার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি। বরং এসব কুখ্যাত মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদেরকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরষ্কৃত করা হয়েছে।
আওয়ামীলীগ সরকারকে মূলত হিন্দু সরকার বলা চলে। কারণ এই সরকারের সময়ে সরকারী চাকুরীর উচ্চ উচ্চ পদে হিন্দু মানুষকে অধিষ্টিত করা হয়। সরকারী চাকুরীর সকল ক্ষেত্রে হিন্দু মানুষদেরকে গণহারে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অথচ যেদেশে ৯০ ভাগ মুসলমান সেই দেশে মুসলমানরা সরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে চরম বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছেন। এদেশে শত শত মুসলিম মানুষ মারা গেলে এর কানে বিচার হয়না । কিন্তু টেইলর বিশ্বজিতের মতো একজন হিন্দু মানুষ মারা গেলে প্রশাসনের সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। এ হচ্ছে আওয়ামীলীগ সরকারের চরম ও পরম কাজ।
সুনামগঞ্জের এম.পি সুরঞ্জিত বাবু তাহার নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঠিক উন্নয়নে কোন কাজ করেন নি। কিন্তু যখনই রেলওয়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পায় তখনই মাত্র ৫/৬ মাসের ব্যবধানে শত শত কোটি টাকা আত্নসাৎ করে দিয়ে বিরাট মার্কেট তৈরী করেছেন। এবং নিজের ছেলের নামে বিটিসিএল লাইসেন্স যোগাড় করেছেন। আর রেলওয়ের শত শত একর ভূমি বিভিন্ন ব্যাক্তিদেরকে লীজ দিয়ে বিরাট অংকের টাকা আত্নসাৎ করেছেন।
মৌলভীবাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মেইন গেইট হতে বিছমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম লিখা কথাটি উঠিয়ে দিয়েছেন। আর এই ঘৃণ্য কাজটি করেছে এক হিন্দু প্রধান শিক্ষক। এই জঘন্য কাজে সহায়তা করেছে আওয়ামীলীগ। আর এভাবে হিন্দু মানুষকে প্রশাসনের উচ্চ উচ্চ পদে অধিষ্টিত করে আওয়ামীলীগ প্রমাণ করেছে যে, তারা মূলত হিন্দু সরকার। শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে আওয়ামীলীগ অতিরিক্ত হিন্দু প্রীতি করে এবং হিন্দুরেদরকে সরকারীর চাকুরীর বিভিন্ন ক্ষেত্রে গণহারে নিয়োগ দান করে তাহারা প্রমান করেছে যে, তাদের নীতি নির্ধারকের অনেকেই সঠিক মুসলমান নয়। এরা ইহুদীর চাইতে আরও জঘন্য ও খারাপ।
বিগত সাড়ে চার বছরে আওয়ামীলীগ সরকার শেযারমার্কেট কেলেঙ্কারী করে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা আত্নসাৎ করেছে। হলমার্ক, বিছমিল্লাহ গ্রুপ, ডেসিটিনি-২০০০, নিউওয়ে ও এমওয়ে কেলেঙ্কারী করে সরকারের কিছু মন্ত্রী ও কয়েকজন উপদেষ্টা প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা আত্নসাৎ করে দিয়ে বিদেশে পাচার করেছেন। এভাবে আওয়ামীলীগ সরকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে নিংস্ব করেছেন, একেবারে পথের ভিখারী বানিয়েছে। এই জালেম সরকারের হাত থেকে কবে যে, বাংলাদেশের মানুষ মূক্তি পাবে একমাত্র মহান রাব্বুল আলআমিন আল্লাহ তায়ালা ভালো জানেন। আমীন।