আওয়ামীলীগ দেশের মানুষকে জিম্মি করে ফেলছে! জনগণ রুখে দাড়ানোর সময় এখনই

আওয়ামীলীগ এই কয়েক বছরে দেশটাকে একটা নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে, আর সাধারন জনগন শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে । আওয়ামীলীগ এখনো বুঝে নাই সাধারন জনগণ শুধু একবার খেপে গেলে তাদের আর শেষ রক্ষা হবে না । প্রথমআলোতে একবার প্রধান শিরোনাম হইছিলো প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগকে সামলান; কিন্তু প্রধাননন্ত্রী সেবার ছাত্রলীগকে সামলাতে পারেনি । এবার ছাত্রলীগের অন্তরালে আওয়ামীলীগ পুলিশলীগকে সামলাতে পারেনি। এবারও প্রধানমন্ত্রী সম্পুর্ন ব্যর্থ হয়েছে। বেশ কিছুদিন আগে শিক্ষকদেরকে পুলিশ মরিচের গুড়ার স্প্রেতে কাবু করলো । এতে করে একজন শিক্ষকের মৃতু্য হলো । জনসুম্মখে বিশ্বজিতকে কুপিয়ে হত্যা করলো,আর দেশের জনগণ শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলো । আজ দেশের সাধারন জনগণ আতংকের মধ্য দিয়ে দিনের পর দিন মাসের পর মাস পার করছে । জনগন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই তাদের গ্রেফতার করে ফেলছে । আওয়ামীলীগ দেশটকে একটা ত্রাসে পরিনত করছে । দেশে উন্নয়নের নামে মানুষের ধোকাবাজী করছে । রেলের কালোবিড়াল বাহির করতে গিয়ে নিজের সেই কালো বিড়ালের কাছে ধরা খেলো সাবেক রেলমন্ত্রী। পদ্মাসেতুর দূনীর্তি ঢাকার জন্য কতো কিছুই না করলো; অবশেষে বিশ্বব্যাংকের সাথে আর না পেরে নিজেদের রাজনীতি জীবনের সবচেয়ে দূনীর্তি বড়ো কলংক আবুল হোসেনকে বাচানোর জন্যে আওয়ামীলীগ শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাংকে লিখিতভাবে নিষেধ করে দিলো । বাংলাদেশের ইতিহাসে শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বড়ো জালিয়াতী করলো । দেশের জনগণ তারপরও চেয়ে চেয়ে দেখছে । কিছুদিন আগে নৈামন্ত্রী ইসলাম বিরোধী বক্তব্যের কারনে সাধারন মানুষের জুতা নিক্ষেপ খাইলো । এটাও দেশের জন্য আওয়ামীলীগের জন্য একটা বড়ো কলংক ।
নির্বাচনের সময় আসলে আওয়ামীলীগ অনেকটাই নমনীয় হয়ে উঠে । জানি না আগামী নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী আবার হাতে তছবী ও মাথায় পট্রী ব্যবহার করেন কিনা; তবে মনে হয় দেশের জনগণ হাসিনার ধোকাবাজী বুঝে গেছে । নির্বাচন আসলেই হাসিনার হজ্জ্ব ও হাতে তছবী এটা জনগনের সাথে এক ধরনের প্রতারনা ছাড়া আর কিছূইনা । সরকার যে কতটা দূনীর্তিবাজ তা সোহেল তাজের পদত্যাগের মাধ্যমেই সকলের কাছে আরো বেশি স্পস্ট হয়ে গেছে । তাই দেশের সাধারন জনগণের বলবো আওয়ামীলীগের এই জিম্মি থেকে দেশকে দেশের আপামর মানুষ বাচাতে এখনই এদের রুখে দাড়ান ।