ছাত্রলীগের রগকাটা-কব্জিকাটার খন্ড চিত্র

দার্শনিক গোয়েবলৎসের একটি সুত্র হচ্ছে কোন একটি মিথ্যাকে সত্য বলে প্রমানিত করার জন্য সেই মিথ্যাকে ১ শত বার বলাই যথেষ্ট। বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে সম্ভবত দার্শনিক গোয়েবলৎসের সেই সুত্রটিই টিকে গেছে। কারন যারা রগকাটার সাথে আদৌও সম্পর্কিত নয় তারা আজ রগকাটার দল আর যারা প্রকৃতপক্ষে প্রতিনিয়ত রগকাটে তাদের বেলায় এ কথাটি প্রযোজ্য হয়না। ১৯৭৭ সালে ছাত্রশিবির নামক একটি আদর্শিক ছাত্রসংগঠনের জন্ম হয় বাংলাদেশে। যারা এই আদর্শিক সংগঠনটিকে আদর্শ দিয়ে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয় তারা তাদের সর্বোচ্চ পেশীশক্তি এ সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। কিন্তু পেশীশক্তি ব্যবহার করে এমনকি এই সংগঠনের শতশত নেতা কর্মীকে হত্যা করার পরও যখন সংগঠনটিকে দমাতে পারলোনা তখন কল্প কাহিনীর মত প্রচার করতে থাকল এই সংগঠনটি রগ কাটে। কিন্তু মিথ্যা এই অভিযোগটি ছাত্রশিবিরের ৩৫ বছরেও প্রমান করতে পারেনি কেউ। এক সময় মিডিয়া সহ বিরোধী সবাই রগকাটা শব্দটিকে বেশী ব্যবহার করতো। মাঝে এটিকে আর তেমন ব্যবহার করতে দেখা যায়নি. কিন্তু ছাত্রশিবির যখন সরকারের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে রাজপথে প্রতিবাদ মুখর হয়েছে. তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শিবিরকে দমন করার বার বার তেজোদ্বীপ্ত হুশিয়ারিতেও কোন কাজ হচ্ছে না দেখে এমন পরিস্থিতিতে দেশের তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য “রগকাটা” শব্দটিকে আবার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চক্রান্ত শুরু হয়েছে. কিন্তু এদেশের তরুণরা আর ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যাচারকে প্রশ্রয় দেয়না এবং বিশ্বাসও করেনা। কারন একটি মিথ্যাকে ব্যাপক ভাবে প্রচার করা যায কিন্তু সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত করা যায়না। প্রকৃতপক্ষে রগকাটার সাথে কারা যুক্ত? কারা প্রতিনিয়ত রগকাটে? কারা একে অপরকে কোপায়! সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার বিবরন সামনে তুলে ধরলেই সকলের নিকট দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হবে যে সত্যিকার অর্থে ছাত্রলীগই রগকাটায় ওস্তাদ বরং রগকাটায় তাদের সাধ মিটেনা বলেই কব্জিও কেটে নেয় তারা। ছাত্রলীগের রগকাটা কব্জিকাটার টুকরো কিছু তথ্য তুলে ধরলাম।